অন্ধকার যুগের প্রথম নিদর্শন কোনটি?
অন্ধকার যুগের প্রথম নিদর্শন কোনটি?
-
ক
শুন্যপুরাণ
-
খ
সেক শুভোদয়া
-
গ
ধর্মমঙ্গল
-
ঘ
প্রাকৃতপৈঙ্গল
'বোবা কাহিনী' পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম এবং একমাত্র উপন্যাস, যা ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এটি সম্পূর্ণ লোকজীবন ভিত্তিক একটি উপন্যাস।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর তথ্য:
রাখালী: এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ (১৯২৭)।
পল্লীবধু: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি নাটক বা গীতি-নকশা।
পদ্মপাড়: এটিও জসীমউদ্দীনের একটি নাটক।
আশীর্বাদ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত।
আকাশলীনা কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের লেখা।
বালুচর হলো কবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ।
তাই, বিকল্পগুলোর মধ্যে 'আশীর্বাদ' কাজী নজরুল ইসলাম প্রণীত।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পথের পাঁচালী’ (১৯২৯) উপন্যাসের অপু চরিত্রের শৈশব ও কৈশোরের কাহিনীর পরবর্তী অংশ বা ধারাবাহিকতা হলো ‘অপরাজিত’ (১৯৩২) উপন্যাস । অপরাজিত উপন্যাসে অপুর পরিণত বয়স, তারুণ্য এবং জীবন সংগ্রামের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত হয়েছিল।
চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে সরহপা (Sarahapada) একজন অন্যতম প্রধান কবি। তাঁর ৪টি পদ চর্যাপদে গৃহীত হয়েছে।
অনেকে সরহপাকে চর্যাপদের আদি কবি বা আধুনিকতম কবি হিসেবেও গণ্য করেন।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তরটি পাওয়া যাচ্ছে না। ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা বিখ্যাত কবিতা হলো আলাউদ্দিন আল আজাদের 'স্মৃতিস্তম্ভ' এবং মাহবুব উল আলম চৌধুরীর 'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'।
তবে, আপনার প্রশ্নের অপশনগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়:
সঠিক উত্তর নেই: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সরাসরি ভাষা আন্দোলন কেন্দ্রিক প্রধান কবিতা হিসেবে স্বীকৃত নয়। সাধারণত এ ধরনের প্রশ্নে 'স্মৃতিস্তম্ভ' অপশন হিসেবে থাকে
মুসলিম নারী জাগরণের কবি বলা হয় সুফিয়া কামাল-কে।
তবে, মুসলিম নারী জাগরণের পথিকৃৎ বা অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাট্যকার হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত । ১৮৫৯ সালে তাঁর রচিত 'শর্মিষ্ঠা' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটকের মর্যাদা পায় । তিনি বাংলা নাটকে প্রথম আধুনিকতা ও পাশ্চাত্য নাট্যরীতির সফল প্রয়োগ করেন।
কবি আলাওল সপ্তদশ (১৭শ) শতকের কবি।
সঠিক উত্তর: C. সপ্তদশ
মূল তথ্য:
জন্ম ও মৃত্যু: তিনি আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
পরিচিতি: তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং আরাকান রাজসভার কবি হিসেবে বিখ্যাত।
শ্রেষ্ঠ কাজ: তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'পদ্মাবতী', যা ১৬৪৮ খ্রিষ্টাব্দে রচিত।
মুসলমান শাসনের সূত্রপাতে দেশে রাজনৈতিক অরাজকতার অনুমান করে কোন কোন পণ্ডিত অন্ধকার যুগ চিহ্নিত করেছেন। এ ধরনের ইতিহাসকারেরা বিজাতীয় বিরূপতা নিয়ে মনে করেছেন, 'দেড় শ দু শ কিংবা আড়াই শ বছর ধরে হত্যাকাণ্ড ও অত্যাচার চালানো হয় কাফেরদের ওপর। তাদের জীবন-জীবিকা এবং ধর্ম-সংস্কৃতির ওপর চলে বেপরোয়া ও নির্মম হামলা। উচ্চবিত্ত ও অভিজাতদের মধ্যে অনেকেই মরল, কিছু পালিয়ে বাঁচল, আর যারা এর পরেও মাটি কামড়ে টিকে রইল, তারা ত্রাসের মধ্যেই দিনরজনী গুণে গুণে রইল। কাজেই, ধন জন ও প্রাণের নিরাপত্তা যেখানে অনুপস্থিত, যেখানে প্রাণ নিয়ে সর্বক্ষণ টানাটানি, সেখানে সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার বিলাস অসম্ভব । ফলে সাহিত্য-সংস্কৃতির উন্মেষ-বিকাশের কথাই ওঠে না।' ড. সুকুমার সেনের মতে, “মুসলমান অভিযানে দেশের আক্রান্ত অংশে বিপর্যয় শুরু হয়েছিল। গোপাল হালদারের মতে, তখন 'বাংলার জীবন ও সংস্কৃতি তুর্ক আঘাতে ও সংঘাতে, ধ্বংসে ও অরাজকতায় মূর্ছিত অবসন্ন হয়েছিল। খুব সম্ভব, সে সময়ে কেউ কিছু সৃষ্টি করবার মত প্রেরণা পায় নি।' কেউ মনে করেন এ সময়ে 'বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বারম্বার হরণকারী বৈদেশিক তুর্কিদের নির্মম অভিযান প্রবল ঝড়ের মত বয়ে যায় এবং প্রচণ্ড সংঘাতে তৎকালীন বাংলার শিক্ষা সাহিত্য সভ্যতা সমস্তই বিনষ্ট ও বিলুপ্ত হয়ে যায়। ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, 'শারীরিক বল, সমরকুশলতা ও বীভৎস হিংস্রতার দ্বারা মুসলমানেরা অমানুষিক বর্বরতার মাধ্যমে বঙ্গসংস্কৃতির ক্ষেত্রে তামসযুগের সৃষ্টি করে।' তিনি মনে করেন, 'বর্বর শক্তির নির্মম আঘাতে বাঙালি চৈতন্য' হারিয়েছিল এবং পাঠান, খিলজি, বলবন, মামলুক, হাবশি সুলতানদের চণ্ডনীতি, ইসলামি ধর্মান্ধতা ও রক্তাক্ত সংঘর্ষে বাঙালি হিন্দুসম্প্রদায় কূর্মবৃত্তি অবলম্বন করে কোন প্রকারে আত্মরক্ষা করছিল।' তিনি আরও লিখেছেন, 'তুর্কি রাজত্বের আশি বছরের মধ্যে বাংলার হিন্দুসমাজে প্রাণহীন অখণ্ড জড়তা ও নাম-পরিচয়হীন সন্ত্রাস বিরাজ করিতেছিল ।...কারণ সেমীয় জাতির মজ্জাগত জাতিদ্বেষণা ও ধর্মীয় অনুদারতা।...১৩শ শতাব্দীর প্রারম্ভেই বাংলাদেশ মুসলমান শাসনকর্তা, সেনাবাহিনী ও পীর ফকির গাজীর উৎপাতে উৎসন্নে যাইতে বসিয়াছিল। শাসনকর্তৃগণ পরাভূত হিন্দুকে কখনও নির্বিচারে হত্যা করিয়া, কখনও বা বলপূর্বক ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করিয়া এদেশে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি করিতে আরম্ভ করেন। ... হিন্দুকে হয় স্বধর্মত্যাগ, না হয় প্রাণত্যাগ, ইহার যে কোন একটি বাছিয়া লইতে হইত।' ভূদেব চৌধুরীর মতে, *বাংলার মাটিতে রাজ্যলিপ্সা, জিঘাংসা, যুদ্ধ, হত্যা, আততায়ীর হস্তে মৃত্যু— নারকীয়তার যেন আর সীমা ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে বৃহত্তর প্রজাসাধারণের জীবনের উৎপীড়ন, লুণ্ঠন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ধর্মহানির সম্ভাবনা উত্তরোত্তর উৎকট হয়ে উঠেছে। স্বভাবতই জীবনের এই বিপর্যয় লগ্নে কোন সৃজনকর্ম সম্ভব হয় নি।' ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় মুসলমানদের সম্পর্কে লিখেছেন, 'শারীরিক বল, সমরকুশলতা ও বীভৎস হিংস্রতার দ্বারা বাংলা ও তাহার চতুষ্পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ইসলামের অর্ধচন্দ্রখচিত পতাকা প্রোথিত হইল। খ্রিঃ ১৩শ হইতে ১৫শ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত—প্রায় দুই শত বছর ধরিয়া এই অমানুষিক বর্বরতা রাষ্ট্রকে অধিকার করিয়াছিল; এই যুগ বঙ্গসংস্কৃতির তামসযুগ, য়ুরোপের মধ্যযুগ The Dark Age-এর সহিত সমতুলিত হইতে পারে।' এ সব পণ্ডিত মুসলমান শাসকদের অরাজকতাকেই অন্ধকার যুগ সৃষ্টির কারণ হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
Related Question
View All-
ক
৭৫০ থেকে ১২০০ সাল
-
খ
১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল
-
গ
১২০১ থেকে ১৮০০ সাল
-
ঘ
১৩০১ থেকে ১৮০০ সাল
-
ক
পাল
-
খ
গুপ্ত
-
গ
সেন
-
ঘ
তুর্কি
-
ক
হর্ষবর্ধন
-
খ
গোবিন্দদাস
-
গ
রামাই পন্ডিত
-
ঘ
বিপ্রদাস
-
ক
১২০১-১৩৫০
-
খ
১৩০০-১৪৫০
-
গ
৬৫০-৯০০
-
ঘ
১৩০১-১৫০০
-
ক
১২০১-১২৫০
-
খ
১২০১-১২৭৫
-
গ
১২৫০-১৩০০
-
ঘ
১২০১-১৩৫০
-
ক
শেখ শুভোদয়া
-
খ
বৈষ্ণব পদাবলী
-
গ
শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন
-
ঘ
কালকেতু উপাখ্যান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন